
স্বাগতম
মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায়।
নিউজিল্যান্ড দল বাংলাদেশে পা রাখার পর থেকেই গুঞ্জন উঠেছে তাদের এই দলটি ‘দ্বিতীয় সারি’র। আসলেই কি তাই? জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
এই নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের তুলনায় কতটা অনভিজ্ঞ
গত কিছুদিন বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে ‘খেলাধুলা’ আসলে মাঠের বাইরেই বেশি হয়েছে। কখনো উপদেষ্টার বাসভবনে, কখনো মন্ত্রিপাড়ায়, কখনো লন্ডন বা অন্য কোথাও। সেসব ছেড়ে এখন মাঠে নামার সময়, খেলার সময়। তাই আসুন, এবার আমরা খেলি।
বাংলাদেশ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ৯ম, নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয়। ওয়ানডেতে মোট ৪৬ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৩৪ ম্যাচ, বাংলাদেশ ১১ ম্যাচ। ফল হয়নি অন্য একটি ম্যাচের।
বাংলাদেশের মাটিতে এ পর্যন্ত ১৬ ওয়ানডেতে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ৮ ম্যাচ, নিউজিল্যান্ড ৭ ম্যাচ। ফল হয়নি অন্য একটি ম্যাচের।
এবারের ওয়ানডে সিরিজটি তিন ম্যাচের। প্রথম দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। শেষ ম্যাচটি হবে চট্টগ্রামে।
স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরনের আজ ৫৪ তম জন্মদিন। পড়তে পারেন প্রথম আলোর প্রধান ক্রীড়া সম্পাদক উৎপল শুভ্রর লেখা—মুরালিধরনের বাড়ি ও একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরির গল্প
টস
টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ। মুদ্রা নিক্ষেপ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম।
টসে হেরে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘নতুন উইকেট। বোলিং করতে ভালো লাগবে। আমাদের বোলিং আক্রমণও ভালো। উইকেট ভালো মনে হচ্ছে।’
তিন পেসার নিয়ে মাঠে নামার কথা জানিয়েছেন মিরাজ।
বাংলাদেশ একাদশ
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস (উইকেটকিপার), তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।
বাংলাদেশ দলের অপারেশনস ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানিয়েছেন, ওয়ার্ম আপের সময় মোস্তাফিজ ডান হাঁটুতে অস্বস্তিবোধ করায় টসের আগে তাঁকে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মোস্তাফিজের জায়গায় দলে ঢুকেছেন শরীফুল ইসলাম।
নিউজিল্যান্ড একাদশ
উইল ইয়াং, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, মুহাম্মদ আব্বাস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, জেডেন লেনক্স ও উইলিয়াম ও’রুর্কি।
পিচ ও দর্শক...
শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, আজকের সকালটা রৌদ্রজ্জ্বল। কিন্তু মাঠে এখনো খুব দর্শক দেখা যাচ্ছে না।
পিচ রিপোর্টে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটসম্যান এইচডি অ্যাকারমান জানিয়েছেন, পেসাররা গতি ও বাউন্স পাবেন। স্পিনাররা অতটা বাঁক পাবেন না। বল ব্যাটে আসবে।
বাংলাদেশের একাদশ নিয়ে নাটকীয়তা...
শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের একাদশ নিয়ে নাটকীয়তাই হয়ে গেল একরকম। শুরুতে দেওয়া টিম লিস্টে ‘সাব’ ছিলেন তাসকিন আহমেদ। তাঁর জায়গায় একাদশে ছিলেন শরীফুল ইসলাম। কিন্তু একটু পর বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসলে আজ একাদশে নেই বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁর জায়গায় শরীফুল খেলবেন। শেষ মুহূর্তের ওয়ার্ম আপের সময় ডান হাঁটুতে অস্বস্তি অনুভব করেন মোস্তাফিজ, পরে তাঁকে একাদশের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল।
তাসকিনে শুরু
নিউজিল্যান্ড: ১ ওভারে বিনা উইকেটে ৬।
প্রথম ওভার করলেন তাসকিন। ওভারের পঞ্চম বলে ওপেনার হেনরি নিকোলস তাঁকে পয়েন্ট দিয়ে চার মারেন। অন্য প্রান্তে নেমেছেন নিক কেলি।
শরীফুল–তাসকিনের ভালো শুরু
নিউজিল্যান্ড: ৫ ওভারে বিনা উইকেটে ১৬।
অন্য প্রান্ত থেকে বোলিং করলেন আরেক পেসার শরীফুল ইসলাম। স্টাম্প টু স্টাম্প বল রেখে দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ১ রান দিয়েছেন শরীফুল। নিকোলস ৪ ও কেলি শূন্য রানে অপরাজিত।
তৃতীয় ওভারে তাসকিনও ১ রান দেন। চতুর্থ ওভারে ২ রান দেন শরীফুল। তাসকিন এরপর পঞ্চম ওভারে দেন ৬ রান।
দুই পেসার মিলে এ পর্যন্ত ২৫ বল ‘ডট’ দিয়েছেন।
কেলি ৩ ও নিকোলস ৮ রানে অপরাজিত।
বোল্ড!
নিউজিল্যান্ড: ৭ ওভারে ১ উইকেটে ২৪।
ইঞ্চি পরিমাণ খাটো লেংথের বল। নিক কেলি পুল করার চেষ্টা করেছিলেন। বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্প ফেলে দেয়। বোল্ড! সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটটি নিলেন শরীফুল।
২৩ বলে ৭ রান করে ফিরলেন কেলি। তিনে নেমেছেন উইল ইয়াং (০)। নিকোলাস ১৮ বলে ১০ রানে অপরাজিত।
সহজ ক্যাচ ছাড়লেন সাইফ
নিউজিল্যান্ড: ৯ ওভারে ১ উইকেটে ২৯।
স্লিপে দাঁড়ানো হাতের ভেতরে বল রাখতে পারেননি। তালুর উপরিভাগে লেগে বল পড়ে যায় মাটিতে। ক্যাচ মিস!
নবম ওভারে শরীফুলের তৃতীয় বলে স্লিপে উইল ইয়াংয়ের ক্যাচ ফেলেন সাইফ। এই ওভারটি মেডেন নেন শরীফুল। নিকোলাস ১৪ ও ইয়াং ১ রানে অপরাজিত।
৯ রানে শুরু নাহিদের
নিউজিল্যান্ড: ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৩৮।
১০ম ওভারে বোলিং এলেন ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। দুটি চার হজম করেছেন। দিয়েছেন মোট ৯ রান। লাইন–লেংথ একটু এলোমেলো ছিল। নিকোলাস ১৯ ও ইয়াং ৫ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশের বোলাররা এই ১০ ওভারের মধ্যে ৪৮টি ‘ডট’ আদায় করেছেন। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা ৫টি চার, ১ বার তিন রান, দুটি ডাবলস ও ৪টি সিঙ্গেলস নিয়েছেন।
পানি পানের বিরতির আগে ‘টাইট’ বোলিং
নিউজিল্যান্ড: ১৪ ওভারে ১ উইকেটে ৫৫।
ওভারপ্রতি ৩.৯২ করে রান তুলতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড। এর পেছনে পুরো অবদান বাংলাদেশের দলের বোলারদের। উইকেট টু উইকেট বোলিং এবং ভালো লেংথে বল করার পুরস্কার এটি। বল একটু ওঠায় কিউই ব্যাটসম্যানরা সামনে এগিয়ে এসেও সুবিধা করতে পারেননি।
এখন পর্যন্ত শরীফুলই বোলারদের মধ্যে সেরা: ৫–১–৯–১ !
নিকোলস ৩৯ বলে ২৭ এবং ইয়াং ২২ বলে ১২ রানে অপরাজিত।
রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন নিকোলস
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১ উইকেটে ৮২।
টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে, প্যাডে লাগার আগে বল ব্যাটে লেগেছিল। টিভি আম্পায়ার তাই মাঠের আম্পায়ারের এলবিডব্লু আউটের সিদ্ধান্ত পাল্টেছেন।
১৯তম ওভারে নাহিদ রানার তৃতীয় বলে নিকোলসকে এলবিডব্লু দেন মাঠের আম্পায়ার। খালি চোখে অবশ্য দেখে মনে হচ্ছিল, বল লেগ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে চলে যেতে পারে। রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন নিকোলস।
রিশাদ ২০ তম ওভারে ৩ রান দেন।
নিকোলস ৪২ ও ইয়াং ২৪ রানে অপরাজিত। অবিচ্ছিন্ন ৬১ রানের জুটি গড়েছেন দুজন।
তানজিদের পায়ের তলা দিয়ে বল সীমানায়
নিউজিল্যান্ড: ২১ ওভারে ১ উইকেটে ৯৪।
অবিশ্বাস্য ফিল্ডিং মিস!
নিকোলস ও ইয়াং দৌড়ে ১ রান চুরি করার সময় স্ট্রাইক প্রান্ত থেকে নন স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্পে থ্রো করেন বোলার নাহিদ রানা। মিড অনে দাঁড়ানো তানজিদের পায়ের তলা দিয়ে বল সীমানায়—মোট ৫ রান! ওভারের চতুর্থ বলে এমন ফিল্ডিং মিস!
২১ তম ওভারে মোট ১২ রান দিলেন নাহিদ। তাঁর চোখেমুখে একটু হতাশা।
ইয়াং ৩০ ও নিকোলস ৪৮ রানে অপরাজিত।
তানজিদের এবার ধরতে পারলেন এবং আউট
২২তম ওভারে রিশাদের প্রথম বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে তানজিদের হাতে ক্যাচ তুলে দেন উইল ইয়াং। বলটি এবার ভালোভাবেই ধরতে পারলেন তানজিদ। ভালো ক্যাচ। ৪২ বলে ৩০ রানে আউট ইয়াং। এর মধ্য দিয়ে নিকোলস ও ইয়াংয়ের ৭৩ রানের জুটিও ভাঙল।
চারে নেমেছেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম।
নিকোলসের ফিফটি
নিউজিল্যান্ড: ২৩ ওভারে ২ উইকেটে ১০৩।
দেখেশুনে খেলার পুরস্কার পেলেন নিকোলস।
নাহিদ রানার করা ২৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মেরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৭ তম ফিফটি তুলে নিলেন নিকোলস। ৭টি চারে ৬৫ বলে ফিফটি তুলে নিলেন তিনি।
বোল্ড!
নিউজিল্যান্ড: ২৭ ওভারে ৩ উইকেটে ১২৯।
মিরাজের বলটি একটু নিচু হয়ে ভেতরে ঢুকে এসেছিল। ল্যাথাম ব্যাকফুটে গিয়েও ব্যাটে পাননি। বোল্ড! ১৫ বলে ১৪ রানে ফিরলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। ২৭ তম ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটটি নিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
তৃতীয় উইকেটে ল্যাথাম–নিকোলসের ৩৩ রানের জুটিও ভাঙল।
পাঁচে নেমেছেন মুহাম্মদ আব্বাস (২*)। নিকোলস ৬৭ রানে অপরাজিত।
৯ বলের মধ্যে ২ উইকেট, এবার নিকোলস
নিউজিল্যান্ড: ২৮ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩১।
বাংলাদেশের পথের ‘কাঁটা’ দূর করলেন রিশাদ।
২৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে রিশাদকে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে মাথার ওপর ক্যাচ তোলেন নিকোলস। সহজ ক্যাচ নেন উইকেটকিপার লিটন। ৯ চারে ৮৩ বলে ৬৮ রানে আউট হলেন নিকোলস।
৯ বলের মধ্যে ল্যাথাম ও নিকোলসকে ফেরাল বাংলাদেশ।
ছয়ে নেমেছেন ডিন ফক্সক্রফট। আব্বাস অন্য প্রান্তে ৩ রানে অপরাজিত।
নিউজিল্যান্ডের দে ড় শ পার
নিউজিল্যান্ড: ৩২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫১।
ফক্সক্রফট ১২ ও আব্বাস ৯ রানে অপরাজিত। দুজনে অবিচ্ছিন্ন ২০ রানের জুটি গড়েছেন।
শরীফুলে ভাঙল জুটি
নিউজিল্যান্ড: ৩৬ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৫।
পঞ্চম উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়ে ধীরে ধীরে বোলারদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছিলেন ফক্সক্রফট ও আব্বাস। কিন্তু ৩৬ তম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁদের জুটি ভাঙলেন শরীফুল। উইকেটের পেছনে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩০ বলে ১৪ রান করা আব্বাস।
শরীফুলের দ্বিতীয় উইকেট।
নতুন ব্যাটসম্যান জশ ক্লার্কসন। ফক্সক্রফট ২০ রানে অপরাজিত।
গ্যালারিতে বিশেষ দর্শক
আবারও ক্যাচ মিস!
নিউজিল্যান্ড: ৩৯ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮০।
এবারও সেই স্লিপে, তবে ফিল্ডার সাইফের জায়গায় তানজিদ। একটু নিচু হয়ে হাতের ওপর বল ধরে রাখতে পারেননি। বল মাটিতে পড়ে যাওয়ায় ক্যাচটি মিস হয়।
৩৯ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রিশাদকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচটি তোলেন ফক্সক্রফট।
ক্লার্কসন ৭ ও ফক্সক্রফট ২৮ রানে অপরাজিত।
তাসকিনে আউট ক্লার্কসন
নিউজিল্যান্ড: ৪২ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৩।
৪২তম ওভারে তাসকিনের দ্বিতীয় বলে বোল্ড ক্লার্কসন। ১৬ বলে ৮ রানে ফিরলেন তিনি। ফক্সক্রফটের সঙ্গে তাঁর ২৭ রানের জুটিও ভাঙল।
নতুন ব্যাটসম্যান নাথান স্মিথ। ফক্সক্রফট ৩৮ রানে অপরাজিত। ফক্সক্রফট ৩৩ রানে ব্যাট করার সময় তাঁর ক্যাচ ছাড়েন তানজিদ। নাহিদের থ্রো ধরতে না পেরে চার রানও দেন তানজিদ।
ফক্সক্রফটের ফিফটি
নিউজিল্যান্ড: ৪৬ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৮।
৫২ বলে ফিফটি করলেন ফক্সক্রফট। ডট দিয়েছেন ২৩ বল। চার মেরেছেন ৬টি।
ফক্সক্রফট ৫১ ও স্মিথ ১৩ রানে অপরাজিত।
ফক্সক্রফট বোল্ড হয়ে ফিরলেন
নিউজিল্যান্ড: ৪৭ ওভারে ৭ উইকেটে ২২৮।
আগের দুই বলে দুটি চার হজমের পর ওভারের চতুর্থ বলে নাহিদের ইয়র্কারে বোল্ড হলেন ফক্সক্রফট। বল তাঁর ব্যাটে লেগে স্টাম্প ভেঙে দেয়।
৮ চারে ৫৮ বলে ৫৯ রানে ফিরলেন ফক্সক্রফট। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান ব্লেয়ার টিকনার।
টিকনার শেষ ওভারে আউট
নিউজিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭।
তাসকিনের করা শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড টিকনার। ১০ বলে ৭ রানে ফিরলেন তিনি।
শেষ ওভারে দুটি ওয়াইড ও একটি ‘নো বল’সহ মোট ১০ রান দিয়েছেন তাসকিন।
ভালো বোলিং শরীফুলদের, তবে দুটি ক্যাচ...
নিউজিল্যান্ড ইনিংস : ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (নিকোলস ৬৮, ফক্সক্রফট ৫৯, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪; শরীফুল ২/২৭, রিশাদ ২/৪৪, তাসকিন ২/৫০, মিরাজ ১/৫৪, নাহিদ ১/৬৫)।
প্রথম ওয়ানডে জিততে ২৪৮ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। আগে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থেমেছে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে।
দুর্দান্ত বোলিং করেছেন পেসার শরীফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ২ মেডেন ও ২৭ রানে ২টি উইকেট নেন শরীফুল। নাহিদ রানা ছাড়া বাকিরা সবাই ওভারপ্রতি গড়ে ৬ রানের নিচে দিয়েছেন। তাসকিন ৫০ রানে এবং রিশাদ ৪৪ রানে ২টি করে উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট মিরাজ ও নাহিদের। ৬৫ রান দেন নাহিদ।
বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিংয়ে ভালো করতে পারলে নিউজিল্যান্ডের রান আরও কম হতে পারত। উইল ইয়াং ব্যক্তিগত ১ রানে স্লিপে ‘জীবন’ পান। শেষ পর্যন্ত ৩০ রানে আউট হন। পরে ফক্সক্রফট ২৭ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়ার পর ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন।
এসবের বাইরে বাংলাদেশের বোলাররা বেশ ভালো বোলিং করেছেন। রোদ একটু চড়া হওয়ার পর উইকেট থেকে বোলাররা খুব বেশি সাহায্য পাননি। স্পিনারদের বল বাঁক নেয়নি সেভাবে। তবে মাথা খাটিয়ে বোলিং করছেন সবাই। উইকেট টু উইকেট এবং লাইন–লেংথ আঁটসাঁট রেখে বোলিং করেছেন। শুধু নাহিদ মাঝে–মধ্যে একটু আলগা বোলিং করেছেন।
দুটি ফিফটিতে আড়াই শ ছুঁইছুঁই স্কোর পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৬৮ রান করেন ওপেনার নিকোলস এবং ফক্সক্রফট করেন ৫৯ রান।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষ হওয়ার কথা ২টা ৩০ মিনিটে। তবে ৪৫ মিনিট বেশি সময় নিয়ে শেষ হয়েছে ৩টা ১৫ মিনিটে। যাতে বড় ভূমিকা চারটি রিভিউ এবং গরমের কারণে একটি বাড়তি পানি পানের বিরতির।
ক্যাচ দিয়ে বাঁচলেন সাইফ
বাংলাদেশ: ২ ওভারে ১০/০। লক্ষ্য: ২৪৮।
রান তাড়ার শুরুতে ‘জীবন’ পেলেন সাইফ হাসান। দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে নাথান স্মিথের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন সাইফ, নিচু হয়ে আসা বলটি হাতে জমাতে পারেননি হেনরি নিকোলস। সাইফ ১ রানে ব্যাট করছিলেন।
তানজিদ দাঁড়ালেন না
ডাউন দ্য উইকেট গিয়ে মারার চেষ্টা এবং বোল্ড।
কিউই পেসার নাথান স্মিথকে চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে মারতে গিয়ে গিয়ে আউট হলেন তানজিদ। ৬ বল খেলে করেছেন ২ রান।
তিনে নেমেছেন নাজমুল হোসেন।
নাজমুলও আউট, স্মিথের হ্যাটট্রিকের সুযোগ
বাংলাদেশ: ৪ ওভারে ২ উইকেটে ২৩।
তানজিদকে আউট করার পরের বলেই নাজমুলও আউট। বলটা একটু সুইং করে ভেতরে ঢুকেছিল। নাজমুল ব্যাটে পাননি। বোল্ড!
স্মিথের সামনে এখন হ্যাটট্রিকের সুযোগ।
কিন্তু চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে কোনো বিপদ ঘটেনি বাংলাদেশের। নতুন ব্যাটসম্যান লিটন দাস।
বাংলাদেশের ৫০
বাংলাদেশ: ৯ ওভারে ৫০/২। লক্ষ্য: ২৪৮।
নবম ওভারের পঞ্চম বলে ৫০ রানের মাইলফলকে পোঁছেছে বাংলাদেশ। পরপর দুই বলে তানজিদ ও নাজমুলের উইকেট হারিয়ে ফেলার পর কিছুটা সতর্ক হয়েই ব্যাটিং করছেন সাইফ হাসান ও লিটন দাস।
সাইফ ২৮ বলে ১৮ আর লিটন ২০ বলে ১৫ রানে ব্যাট করছেন।
জুটির ফিফটি!
বাংলাদেশ: ১৬ ওভারে ৭৬/২। লক্ষ্য: ২৪৮।
শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে ফেললেও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও লিটন দাসের তৃতীয় উইকেট জুটি এরই মধ্যে পঞ্চাশ পার করেছে।
২১ রানে নাজমুল আউট হওয়ার পর এই জুটির শুরু। পঞ্চাশ রান যোগ করতে দুজনে খেলেছেন ৭৫ বল।
এর মধ্যে লিটনের অবদান ৪১ বলে ২৫ রান। ওপেনিংয়ে নামা সাইফ ব্যাট করছেন ৪৯ বলে ৩২ রানে।
সাইফের ফিফটি, বাংলাদেশের এক শ
বাংলাদেশ: ১৯ ওভারে ১০১/২। লক্ষ্য: ২৪৮।
টানা তিন বাউন্ডারিতে ফিফটিতে পৌঁছেছেন সাইফ হাসান। উনিশতম ওভারে মিডিয়াম পেসার ক্লার্কসনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে চার মেরে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। তাঁর ফিফটির সঙ্গে বাংলাদেশ দলের এক শ রানও পূর্ণ হয়েছে।
পঞ্চাশ
আজকের ফিফটিটি ওয়ানডেতে সাইফের দ্বিতীয়। ১০ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এর আগে ৮০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন গত অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
সাইফের আউটে ভাঙল জুটি
বাংলাদেশ: ২২.৩ ওভারে ১১৪/৩। লক্ষ্য: ২৪৮।
ফিফটির পর ইনিংসটা লম্বা করতে পারলেন না সাইফ হাসান। ও’রুর্কের বলে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন মিড অনে ক্লার্কসনের হাতে। তাঁর ইনিংস থেমেছে ৭৬ বলে ৫৭ রানে, যে ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ১টি ছয়। সেই সঙ্গে ভেঙেছে জুটিও।
২১ রানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর সাইফ ও লিটনের জুটিতে যোগ হয়েছে ৯৩ রান।
নতুন ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয়।
লিটনও ফিরলেন
বাংলাদেশ: ২৭.২ ওভারে ১৩২/৪। লক্ষ্য: ২৪৮।
ফিফটির সম্ভাবনা জাগিয়ে মাইলফলকের আগেই ফিরলেন লিটন। অফ স্পিনার ডিন ফক্সক্রফটের ভেতরে ঢোকা বল তাঁর ব্যাট ফাঁকি দিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। ক্ষণিকের জন্য লিটন স্তম্ভিত হয়ে থাকলেন। এরপর হাতের ইশারায় যা দেখালেন, তাতে বোঝা গেল বল এতটা টার্ন করবে তিনি ভাবতে পারেননি।
লিটন ফিরলেন ৬৮ বলে ৪৬ রান করে। ১৩২ রানে বাংলাদেশ হারাল চতুর্থ উইকেট।
তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে যোগ দিয়েছেন আফিফ হোসেন।
আরও ১০৯ রান দরকার
বাংলাদেশ: ৩১ ওভারে ১৩৯/৪। লক্ষ্য: ২৪৮।
৩১ ওভার শেষে পানি পানের বিরতি ঘোষণা দিয়েছেন আম্পায়াররা। দুই দলই স্থির হয়ে নিজেদের পরবর্তী কৌশল নির্ধারণে সময় পাচ্ছে।
২৮তম ওভারে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ সর্বশেষ তিন ওভারে তুলেছে মাত্র ৪ রান। এই মুহূর্তে আর কোনো উইকেট না হারানোয় মনোযোগ দিয়েছেন আফিফ ও হৃদয়।
১৫ ওভার পর বাউন্ডারি
পঁচিশতম ওভারের চতুর্থ বলে ফক্সক্রফটকে চার মেরেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। এরপর টানা ৯০ ডেলিভারিতে (১৫ ওভার) বাংলাদেশ কোনো বাউন্ডারি পায়নি।
অবশেষে ৩৯তম ওভারের পঞ্চম বলে সেই হৃদয়ই ও’রুর্কের বলে চার মেরে বাউন্ডারি–খরা কাটিয়েছেন।
বাংলাদেশ: ৩৯ ওভারে ১৭৭/৪। লক্ষ্য: ২৪৮।
আফিফের আউটে ভাঙল জুটি
বাংলাদেশ: ৪১ ওভারে ১৮৪/৫। লক্ষ্য: ২৪৮।
৪১তম ওভারে আফিফের উইকেট হারাল বাংলাদেশ। বাঁ হাতি স্পিনার জেডেন লেনক্স তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ১৮৪ রানে বাংলাদেশ হারাল পঞ্চম উইকেট।
৪৯ বলে ২৭ রান করা আফিফের বিদায়ে ভেঙেছে হৃদয়ের সঙ্গে ৫২ রানের জুটি। হৃদয় ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ।
মিরাজও আউট
বাংলাদেশ: ৪৪ ওভারে ১৯৫/৬। লক্ষ্য: ২৪৮।
দরকারি সময়ে টিকতে পারলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। টিকনারের বলে রিভার্স শট খেলেছিলেন, তবে টাইমিং ঠিকঠাক হয়নি। প্রথম স্লিপের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ নিয়েছেন উইকেটকিপার ল্যাথাম। ১৯৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
নতুন ব্যাটসম্যান রিশাদ হোসেন।
দুই বলে দুজন ফিরলেন
বাংলাদেশ: ৪৬ ওভারে ২০৩/৮। লক্ষ্য: ২৪৮।
একের পর এক উইকেট হারাচ্ছে বাংলাদেশ। টিকনারের করা ৪৬তম ওভারের শেষ দুই বলে আউট হয়েছেন রিশাদ হোসেন (৪) ও শরীফুল ইসলাম (০)।
উইকেট নাম্বার নাইন
বাংলাদেশ: ৪৭.৩ ওভারে ২১৪/৯। লক্ষ্য: ২৪৮।
নবম উইকেটও হারাল বাংলাদেশ। টিকনারের বল ব্যাটে দিয়ে স্টাম্পে টেনে বোল্ড হয়েছেন তাসকিন আহমেদ। অন্য প্রান্তে থাকা হৃদয়ের প্রতিক্রিয়ায় হতাশা স্পষ্ট।
ছক্কায় হৃদয়ের ফিফটি
বাংলাদেশ: ৪৮.১ ওভারে ২২১/৯। লক্ষ্য: ২৪৮।
শেষ ব্যাটসম্যান নিয়ে ব্যাটিং করছেন, রানও দরকার বলের চেয়ে বেশি। তাওহিদ হৃদয়ের তাই মেরে–ই খেলার কথা। তেমনই এক মারে ছক্কা হয়েছে ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে। তাতে হয়েছে হৃদয়ের ফিফটিও। ওয়ানডেতে এটি তাঁর ১২তম ফিফটি
২২১ রানে অলআউট বাংলাদেশ, হারে শুরু সিরিজ
নিউজিল্যান্ড: ২৪৭/৮। বাংলাদেশ: ২২১। ফল: নিউজিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী।
শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। নাথান স্মিথের বলে মিডউইকেটে তাঁর ক্যাচ নিয়েছেন হেনরি নিকোলস। ৬০ বলে ৫৫ রান করে থেমেছেন হৃদয়, থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংসও।
নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৪৮.৩ ওভারে অলআউট হয়েছে ২২১ রানে। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শুরুটা হল ২৬ রানের হারে।
রান তাড়ায় বাংলাদেশ ধাক্কা খায় শুরুতেই। চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের টানা দুই বলে বোল্ড হন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন। তবে এরপরই এসেছে ইনিংসের সবচেয়ে বড় জুটিটা।
তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও লিটন দাস গড়েন ৯৩ রানের জুটি। পরে আরেকটি ফিফটি জুটি হয়েছে পঞ্চম উইকেটে তাওহিদ হৃদয়–আফিফ হোসেনের মধ্যে (৫২ রান)। এই চারজন ছাড়া আর কারও দুই অঙ্কের ঘরে যায়নি।
দুই বড় জুটির চারজনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত টিকেছিলেন হৃদয়। তবে তাঁকেও থামতে হয়েছে লক্ষ্যের বেশ আগেই। নিউজিল্যান্ডের দুই পেসার ব্লেয়ার টিকনার ও স্মিথই নিয়েছেন ৭ উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি ইনিংস সাইফ (৫৭), হৃদয় (৫৫) ও লিটনের (৪৬)।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড ইনিংস : ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (নিকোলস ৬৮, ফক্সক্রফট ৫৯, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪; শরীফুল ২/২৭, রিশাদ ২/৪৪, তাসকিন ২/৫০, মিরাজ ১/৫৪, নাহিদ ১/৬৫)।
বাংলাদেশ ইনিংস: ৪৮.৩ ওভারে ২২১ (সাইফ ৫৭, হৃদয় ৫৫, লিটন ৪৬, আফিফ ২৭; টিকনার ৪/৪০, স্মিথ ৩/৪৫)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ডিন ম্যাক্সক্রফট।
সিরিজ: তিন ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ড ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে।

No comments:
Post a Comment