
<h3>স্বাগত...</h3><p>বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলে প্রায়ই। কখনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে, কখনো মহাদেশীয় বা বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে। আজ আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে ম্যাচটি খেলতে নামছে বাংলাদেশ, সেটি ত্রিদেশীয় সিরিজের। ২০১৯ সালের মে মাসের পর এই প্রথম ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলছে বাংলাদেশ। সিরিজের অপর দল আফগানিস্তান।</p><p>বাংলাদেশ–জিম্বুাবুয়ে ম্যাচের লাইভ ব্লগে আপনাদের স্বাগত। ম্যাচের তাৎক্ষণিক ঘটনাপ্রবাহ, তথ্য ও পরিসংখ্যান জানতে থাকুন প্রথম আলোর সঙ্গে।</p><h3>স্মৃতি ফেরানোর আশা</h3><p>খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সাড়ে পাঁচটায়, টস হবে আধা ঘণ্টা আগে। তার আগে পড়ে নিতে পারেন বাংলাদেশ–জিম্বাবুয়ে ম্যাচের প্রিভিউ: <strong><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/jljul16i3y">২০১৯ সালের সেই স্মৃতি ফেরানোর আশা বাংলাদেশের</a></strong></p><h3>টস</h3><p>টসেই চমক! লিটন দাস নন, তাওহিদ হৃদয়। </p><p>পূর্ণ মেয়াদে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে লিটনের শুরুটা হওয়ার কথা ছিল আজ। কিন্তু টস করতে আসা হৃদয় জানালেন, শেষ মুহূর্তে চোটে পড়ে যাওয়ায় লিটন খেলছেন না। জ্বরে আক্রান্ত মেহেদী হাসান মিরাজও নেই এই ম্যাচে। হৃদয় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক।</p><p>টসে জিতেছে জিম্বাবুয়ে, আগে ব্যাটিং করার কথা জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।</p><p><strong>বাংলাদেশের একাদশ:</strong> তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল হাসান, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও সাইফ হাসান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/d1j7fc62/HU1CfSGbwAI3gpG.jpg" /><figcaption>টসে নেমেছেন তাওহিদ হৃদয়</figcaption></figure><h3>জাতীয় সংগীতে লিটন</h3><p>চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে বাদ পড়ে যাওয়া লিটন দাসকে দেখা গেল জাতীয় সংগীতের সময়। বাকি ক্রিকেটারদের চেয়ে কিছুটা ব্যতিক্রমই ছিলেন যদিও— কোচিং স্টাফের সদস্যদের সঙ্গে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন ডাগআউটে। একাদশে না থাকা আলিস–তানভীরদের দেখা গেছে মাঠে।</p><h3>আরও বড় দুঃসংবাদ!</h3><p>এই ম্যাচে তো নেই–ই, পুরো ত্রিদেশীয় সিরিজেই পাওয়া যাবে না লিটন দাসকে। বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তেমনই জানিয়েছেন জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম। </p><aside><cite>বায়েজীদুল ইসলাম, ফিজিও</cite>গতকাল ডান হিপ জয়েন্টে অস্বস্তির কথা জানিয়েছিল লিটন। এরপর এমআরআই করানো হলে রিপোর্টে কিছু সমস্যা ধরা পড়ে। আজ ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে, তবে নির্ধারিত বেঞ্চমার্ক পূরণ করতে পারেনি। ফলে এই সিরিজে তাঁকে পাওয়া যাবে না।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/xx0u5eeu8s">সিরিজ থেকেই ছিটকে গেলেন লিটন, খেলছেন না জ্বরে ভোগা মিরাজও</a></aside><h3>প্রথম ওভারেই উইকেট!</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ১ ওভারে ০/১।</strong></p><p>প্রথম ওভারেই উইকেট পেয়ে গেল বাংলাদেশ। ইনিংসের ষষ্ঠ বলে উইকেট এনে দিয়েছেন তাসকিন। তাঁর বলে এলবিডব্লু হয়েছেন ব্রায়ান বেনেট। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান রিভিউ নিয়েছিলেন, কিন্তু আম্পায়ার্স কলে তাঁকে ফিরতে হয়েছে ড্রেসিংরুমে। এখনও কোনো রান তুলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। </p><h3>আবারও তাসকিন!</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪.১ ওভারে ১৭/২।</strong></p><p>আরও একটি উইকেট, আবারও বোলার তাসকিন। আউটের ধরনও একই—এলবিডব্লু। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে তাসকিনের প্রথম বলে এলবিডব্লুর শিকার হয়েছেন বেন কারেন।</p><p>মজার বিষয়, প্রথম উইকেটের মতো এটিতেও রিভিউ নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। তবে কাজ হয়নি, প্রথমবারের মতো এবার আম্পায়ার্স কলেরও দরকার হয়নি। পরিষ্কার এলবিডব্লু। ১১ বল খেলে ৬ রান করেছেন কারেন।</p><p>নতুন ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর। তাঁর সঙ্গে তাপাদজাওয়া সিগা।</p><h3>তৃতীয় উইকেট তাসকিনের</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৭ ওভারে ২৪/৩।</strong></p><p>তৃতীয় উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে, তিন উইকেটই নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। এবার তাঁর বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন তাফাদজা সিগা। শর্ট বলে পুল করতে গেলে টাইমিংটা ঠিকঠাক হয়নি, লম্বা সময় বল শূন্যে ভেসে থাকার পর তা গেছে উইকেটকিপার নুরুলের হাতে। ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে তাসকিনের উইকেট ৩টি!</p><h3>পাওয়ার প্লে শেষ</h3><p>পাওয়ার প্লের ১০ ওভারের খেলা শেষ হয়েছে। ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে করেছে ৩০ রান।</p><p>পাওয়ার প্লেজুড়েই তাসকিন আহমেদের তোপের মুখে ছিল জিম্বাবুয়ে, দলটির তিন উইকেটই পেয়েছেন এই পেসার। শরীফুল ৪ ও মোস্তাফিজ ১ ওভার করলেও এখনও উইকেটের দেখা পাননি। </p><h3>পরপর দুই ওভারে দশের বেশি</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ১৩ ওভারে ৫৭/৩।</strong></p><p>৬ ওভারের দুর্দান্ত একটা স্পেল শেষ করলেন তাসকিন। </p><p>এখন দুই পাশ থেকে এসেছেন দুই বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজ ও শরীফুল। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরাও বোধ হয় একটু স্বস্তিই পেয়েছেন তাতে!</p><p>মোস্তাফিজের ১২তম ওভারে ১০ রান এসেছিল, শরীফুলের পরের ওভারে এসেছে ১২ রান। দুটি ওভারেই দুটি করে বাউন্ডারিও পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর আশ দেখছে তারা। </p> <h3>চতুর্থ উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে : ১৮ ওভারে ৭৪/৩।</strong></p><p>প্রথম তিনটি উইকেট পেয়েছিলেন তাসকিনই। কিন্তু চতুর্থ উইকেট আর আসছে না!</p><p>একটু আগে মোসাদ্দেক হোসেনের বলে সুযোগ তৈরি হয়েছিল। টেলরকে এলবিডব্লু আউট দিতে জোরাল আবেদন করে বাংলাদেশ। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউও নেওয়া হয়। টেলরের ব্যাটে না লাগায় রিপ্লে দেখে উদ্যাপনও শুরু করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পরে দেখা যায়, বলের ইম্প্যাক্টই আউটসাইড অফ। রিভিউটাও হারাতে হয়েছে। </p><p>টেলর–আরভিনদের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে জিম্বাবুয়ে। ৬৭ বলে তাদের জুটিতে এখন পর্যন্ত এসেছে ৫১ রান। </p><h3>জিম্বাবুয়ের ১০০</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে : ২৩ ওভারে ১০২/৩।</strong></p><p>২৩তম ওভারটি করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। এই ওভারে ৯ রান তোলার পথে এক শ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছে জিম্বাবুয়ে।</p><p>টেলর ৪৮, আরভিন ৩০ রানে ব্যাট করছেন।</p><h3>৬ বছর পর টেলরের ফিফটি</h3><p>ইনিংসের ২৫তম ওভারে সৌম্য সরকারের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেছেন ব্রেন্ডন টেলর। ৪০ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের ৪০তম ওয়ানডে ফিফটি এটি।</p><p>তবে ৩৯তম ফিফটির পর এবারেরটি এসেছে ছয় বছর বিরতির পর। ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর অবশ্য খেলেছেনই কম। বিশেষ করে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর তিনি জিম্বাবুয়ে দলেই ছিলেন না।</p><p>গত বছরের আগস্টে ফিরে আসার পর এটি তাঁর ষষ্ঠ ওয়ানডে। </p><h3>লিটনের পরিবর্তে পারভেজ</h3><p>লিটন দাসের চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলা হচ্ছে না—এ খবর দুই ঘণ্টা আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার জানাল তাঁর বদলি খেলোয়াড়ের নাম। লিটনের জায়গায় ত্রিদেশীয় সিরিজের স্কোয়াডে ঢুকবেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন।</p><h3>টেলরের পর আরভিনেরও ফিফটি</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে : ৩০ ওভারে ১৪৯/৩।</strong></p><p>মাঠে নেমেছিলেন দলের বিপদে। সেই বিপদ থেকে অনেকটাই উদ্ধার করে ফেলেছেন এরই মধ্যে। ক্রেইগ আরভিন এবার পেয়ে গেছেন ফিফটির দেখাও। ৩০তম ওভারে রিশাদের বলে সিঙ্গেল নিয়ে পূরণ করা ফিফটিটি ওয়ানডেতে তাঁর ২৬তম।</p><h3>জুটি ভেঙেও ভাঙল না</h3><p>জুটি ভেঙেও ভাঙল না!</p><p>আরভিন আর টেলরের জুটিটা বাংলাদেশর জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছে। দুজনেই ফিফটি পেয়েছেন, জুটিও ছাড়িয়ে গেছে এক শ রান। সেই জুটি ভাঙার আশা দেখা গিয়েছিল শরীফুলের বলে। আরভিনের প্যাডে বল লাগার পর এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন আম্পায়ার। </p><p>কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেছেন আরভিন। বল স্টাম্পেই হিট করেনি। এই জুটি আরও কতদূর যায়, সেটিই এখন দেখার।</p><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৩২.৪ ওভারে ১৫৮/৩</strong></p><h3>সাইফের টানা দুই উইকেট</h3><p>মূল বোলারদের কেউই উইকেট এনে দিতে পারছিলেন না। আরভিন–টেলরের জুটিটাও ধীরে ধীরে বড় হচ্ছিল। হুট করে বাংলাদেশকে উইকেট এনে দিলেন সাইফ হাসান!</p><p>জুটি ভাঙতে না পেরে সাইফকে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন হৃদয়। উইকেট পেতে তাঁর লেগেছে দুই বল— রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে সাইফের বলে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ দেন ১০১ বলে ৮১ রান করা টেলর। আরভিনের সঙ্গে দেড় শ রানের জুটি ভেঙে যায় তাতে।</p><p>এতটুকুতেই সাইফ থামেননি। নিজের পরের ওভারে এসে সিকান্দার রাজাকেও আউট করেছেন। ৫ বলে ৪ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। দুই ওভারে দুই উইকেট পেলেন সাইফ। সপ্তম বোলার হিসেবে তাঁকে বোলিংয়ে এনেছিলেন হদয়।</p><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৩৮.১ ওভারে ১৮২/৫।</strong></p><h3>ক্যাচ মিস!</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪২ ওভারে ২১৪/৫।</strong></p><p>৪২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়েছিলেন মাধেভেরে। দৌড়ে সামনে এসে বলের নাগাল পেলেও হাতে রাখতে পারেননি নাজমুল হোসেন।</p><p>বোলার ছিলেন মোস্তাফিজ। ওভারের পঞ্চম বলে চার মেরেছেন আরভিন, পৌঁছে গেছেন নব্বইয়ের ঘরে। </p><h3>মাধেভেরে ফিরলেন!</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪৩ ওভারে ২২২/৬।</strong></p><p>‘নতুন জীবন’ পাওয়ার পরের ওভারেই আউট হলেন মাধেভেরে। যতটা সম্ভব রান তোলার চেষ্টায় প্রতিটি বলই মেরে খেলার তালে ছিলেন তিনি। ৪৩তম ওভারে রিশাদকে মারতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন সৌম্যর হাতে (১৫ বলে ১৭ রান)।</p><p>নতুন ব্যাটসম্যান ব্রাড ইভানস। সঙ্গে ৯২ রানে অপরাজিত আরভিন।</p><h3>৯৩ রানে আউট আরভিন!</h3><p>সেঞ্চুরি হলো না ক্রেইগ আরভিনের।</p><p>শরীফুলের বলে উইকেটকিপার নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিলেন ৯৩ রানে। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে টেলর ফিরেছিলেন ৮১ রানে, আরভিন আটকে গেলেন নব্বইয়ে পৌঁছেও। ১০৬ বল খেলা ইনিংসটিতে ছিল ৯টি চার।</p><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪৪ ওভারে ২২৫/৭।</strong></p><h3>শরীফুলের আরেকটি উইকেট</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪৬ ওভারে ২৩৫/৮।</strong></p><p>দরকারের সময়ে আরেকটি উইকেট পেলেন শরীফুল ইসলাম। এবার তাঁর শিকার ব্রাড ইভানস। এবারও উইকেটকিপার নুরুলের হাতে ক্যাচ। </p><p>ইনিংসের ৪৬তম ওভারটিতে এক উইকেট নেওয়ার পথে মাত্র ৪ রান দিয়েছেন শরীফুল। শেষ হয়েছে তাঁর দশ ওভারের বোলিং কোটাও। ১ মেডেনসহ ৪৭ রানে ২ উইকেট।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/cgm35v7f/DSC0510-1.JPG" /><figcaption>শরীফুল নিয়েছেন টানা দুই উইকেট</figcaption></figure><h3>জিম্বাবুয়ের আড়াই শ</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪৮ ওভারে ২৫১/৮।</strong></p><p>শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারালেও রানও পাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। ৪৮তম ওভারে আড়াই শ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছে দলটি।</p><p>ব্যাট করছেন মাসাকাদজা (১৩*) ও নিয়ামুরি (১১*)।</p><h3>তাসকিন: ১০–২–৪৪–৩</h3><p><strong>জিম্বাবুয়ে: ৪৯ ওভারে ২৬০/৮।</strong></p><p>নিজের শেষ ওভারে তাসকিন একটি ছক্কা হজম করেছেন, রান দিয়েছেন ৯টি। সব মিলিয়ে দশ ওভারে ৪৪ রানে ৩ উইকেট।</p><p>উইকেট তিনটিই শুরুর দিকে। প্রথম চার ওভার শেষে তাঁর বোলিং ফিগার ছিল ৪–১–১৩–৩। </p><h3>বাংলাদেশকে ২৭২ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে</h3><blockquote>জিম্বাবুয়ে: ৫০ ওভারে ২৭১/৮ (আরভিন ৯৩, টেলর ৮১, নিয়ামুরি ২১*; তাসকিন ৩/৪৪, সাইফ ২/১৭, শরীফুল ২/৪৭)।</blockquote> <p>ইনিংসের শেষ বলে আরেকটি উইকেট ফেলার সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু মিস করেছেন নাজমুল। তাতে দুই ব্যাটসম্যান তিনবার দৌড়ে জিম্বাবুয়ের রান বাড়িয়েছেন আরও কিছুটা।</p><p>টসে জিতে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে পুরো ৫০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে করেছে ২৭১ রান। জিম্বাবুয়ের এই সংগ্রহে সর্বোচ্চ ৯৩ রান ক্রেইগ আরভিনের, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮১ ব্রেন্ডন টেলরের। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করে এসেছে ৯ ও ১০ নম্বরে দুই ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে। </p><p>তাসকিনের তোপে ৭ ওভারের মধ্যে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল জিম্বাবুয়ে। এরপর টেলর–আরভিনের চতুর্থ উইকেট জুটিকে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করিয়ে দুই শর দিকে নিয়ে যায়। </p><p>দুজনের ১৫০ রানের জুটি ভাঙে ৩৭তম ওভারে খণ্ডকালীন বোলার সাইফ হাসানের বলে। এরপর আবারও ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। ১৭৪ থেকে ২৩৪ রানের মধ্যে তুলে নেয় জিম্বাবুয়ে আরও চার উইকেট। এর মধ্যে ৯৩ রান করা আরভিনকে ফেরান শরীফুল। </p><p>আড়াই শ রানের কমে জিম্বাবুয়েকে অলআউট করে দেওয়ার সম্ভাবনা জাগলেও শেষ পর্যন্ত তা হতে দেয়নি দলটির নবম উইকেট জুটি। ২৬ বলের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৩৭ রান যোগ করেন মাসাকাদজা ও নিয়ামুরি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/i1t5xc4p/WhatsApp_Image_2026_10_17_at_9_20_13_PM.jpeg" /><figcaption>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল</figcaption></figure><h3>প্রথম দুই ওভারে উঠল ১৬ রান</h3><p>জিম্বাবুয়ের ২৭১ রান তাড়ায় শুরুো ভালো হয়েছে বাংলাদেশের। প্রথম দুই ওভারে ১৬ রান তুলেছেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। মুজারাবানির প্রথম ওভার থেকে এসেছে ৭ রান, একটি বাউন্ডারি মেরেছেন তানজিদ। ইভানসের করা দ্বিতীয় ওভার থেকে এসেছে ৯ রান। একটি চার মেরেছেন তানজিদ, আরেকটি সৌম্য।</p><h3>সৌম্য আউট</h3><p>শুরুটা বাংলাদেশের জন্য মন্দ হয়নি। তানজিদ হাসান তামিমই রান তুলছিলেন ভালো গতিতে। এর মধ্যেই তাঁর সঙ্গী সৌম্য সরকার আউট হয়ে গেলেন। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১৭ বলে ৯ রান করে আউট হয়ে গেছেন সৌম্য। </p><p><strong>বাংলাদেশ : ৭ ওভারে ৪৮/১। লক্ষ্য ২৭২ রান।</strong></p><h3>আম্পায়রস কল</h3><p>নুয়ামুরির বল তানজিদের প্যাডে লাগার পর জোরাল আবেদন করেছিলেন জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা। এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। পরে রিভিউ নিলে রিপ্লেতে দেখা যায়, আম্পায়ারস কলে বেঁচে গেছেন তানজিদ। </p><h3>জীবন পাওয়ার পর</h3><p>আগের বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরের বলেই আবার ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হয়ে গেছেন তানজিদ। বাংলাদেশ হারিয়েছে তাদের দ্বিতীয় উইকেট।</p><p>নুয়ামুরির আগের বলে আপার কাট করেছিলেন তানজিদ। থার্ড ম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা মুজারাবানির কাছে সেটি গিয়েছিল ক্যাচ হিসেবে। কিন্তু বলটা কোথায় পড়বে তা বুঝতে না পেরে ক্যাচটা ধরতে পারেননি তিনি। পরের বলেই কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা রায়ান বার্লের হাতে ক্যাচ দেন তানজিদ। </p><p>বাংলাদেশ: ১০ ওভারে ৬৬/২</p><h3>নাজমুলও আউট</h3><p>তানজিদের পর আউট হয়ে গেছেন নাজমুলও। ইভান্সের বলে তিনি হয়ে গেছেন এলবিডব্লু্। তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশও কিছুটা বিপদে পড়ে গেছে। </p><p><strong>বাংলাদেশ: ১১ ওভারে ৭১/৩। লক্ষ্য ২৭২ রান।</strong></p><h3>একশ র আগেই আউট হৃদয়</h3><p>দলের রান এক শ পেরোনোর আগেই আউট হয়ে গেলেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ও। সিকান্দার রাজার বলে এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। কিন্তু রিভিউ নিয়ে সফল হয়েছেন রাজা। ২১ বলে ১৩ রান করে আউট হয়ে গেছেন তিনি। </p><p>বাংলাদেশ: ১৭.৪ ওভারে ১০৪/৪</p><h3>৫ উইকেট নেই</h3><p>হতাশাই বোধ হয় লেখা বাংলাদেশের ভাগ্যে!</p><p>একের পর এক ব্যাটসম্যান আসছেন আর যাচ্ছেন। এবার আউট হয়ে গেলেন মোসাদ্দেকও। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে এলবিডব্লু হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ হারাল পঞ্চম উইকেট। জয়ের জন্যও এখন ১৬০ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। </p><p>বাংলাদেশ: ১২ ওভারে ১১৩/৫</p><h3>সাইফও আউট</h3><p>দলের জন্য শেষ ভরসা ছিলেন সাইফ হাসান। উইকেটে তিনি থিতুও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সাইফও আউট হয়ে গেলেন। ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলায় বাংলাদেশ এখন একরকম হারের অপেক্ষায়। রিশাদ কিংবা নুরুল হাসান অবিশ্বাস্য কিছু করতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার। </p><p><strong>বাংলাদেশ: ২৪ ওভারে ১২৩/৬। লক্ষ্য ২৭২ রান। </strong></p><h3>৯৯ রানে হার</h3><p>ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ। আবুধাবিতে ২৭২ রান তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানে অলআউট হয়ে গেছে তারা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের বেহাল দশাটাই যেন আরও একবার ফুটে উঠেছে তাতে। </p><p>রান তাড়া করতে নামার পর শুরুটা কিন্তু এত খারাপ হয়নি। প্রথম ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই ৪২ রান তুলে ফেলেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সৌম্য সরকার আউট হওয়ার পর এমনভাবে ধস নামে যে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ম্যাচ হারে বড় ব্যবধানে। </p><p>জিম্বাবুয়ের বোলিং যে খুব ভালো হয়েছে, তেমনও কিন্তু নয়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। মাঝের ওভারে যাঁদের হাল ধরার কথা— তাদের তিনজন তাওহিদ হৃদয়,নাজমুল হোসেন আর মোসাদ্দেক হোসেন তো বলের লাইন মিস করে এলবিডব্লই হয়েছেন। তাদের বাইরে তানজিদ আগের বলে জীবন পেয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন পরের বলে আর সৌম্য সরকার ক্যাচ দিয়েছেন স্লিপে। </p><p>২১ অক্টোবর পরের ম্যাচে বাংলাদেশ মাঠে নামবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ফাইনালে উঠতে হলে সেই ম্যাচে জিততে তো হবেই, মেলাতে হবে আরও অনেক সমীকরণ। আগামী পরশু জিম্বাবুয়ে–আফগানিস্তান ম্যাচে আপাতত জিম্বাবুয়ের জয় চাইতে পারে বাংলাদেশ। তাহলে শেষ ম্যাচটা হয়ে যাবে অলিখিত সেমিফাইনাল। </p><p><br><strong>সংক্ষিপ্ত স্কোর:</strong></p><p>জিম্বাবুয়ে: ৫০ ওভারে ২৭১/৮ (আরভিন ৯৩, টেলর ৮১, নিয়ামুরি ২১*; তাসকিন ৩/৪৪, সাইফ ২/১৭, শরীফুল ২/৪৭)।</p><p>বাংলাদেশ: ৩৩.৪ ওভারে ১৭২ (তানজিদ ৪৬, সাইফ ২৬, রিশাদ ২৩; ইভান্স ৪/৪৫, রাজা ২/২৮, মাসাকাদজা ২/১৮)</p><p>ফল: জিম্বাবুয়ে ৯৯ রানে জয়ী।</p><p>ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ক্রেইগ আরভিন</p>

No comments:
Post a Comment