হাটহাজারীতে হিন্দু ধর্ম থেকে আপন ভাই ও বোনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ - অজানা ১০১
,

ব্রেকিং

Post Top Ad

PropellerAdsPropellerAds

Sunday, December 23, 2018

হাটহাজারীতে হিন্দু ধর্ম থেকে আপন ভাই ও বোনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ


চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অপহরণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অপহৃত শ্রাবন্তী রাণী নাথ (২০) ও তার আপন ভাই শুভ কুমার নাথকে (১৮) পুলিশ উদ্ধার করেছে। সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাদের হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের মোল্লা মো. জাহাঙ্গীর কবির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হাটহাজারীস্থ ১১মাইল এলাকা থেকে উদ্ধার করে আদালতে জবানবন্দী প্রদানের জন্য প্রেরণ করেছে।এর আগে আদালতের নির্দেশে গত ৫এপ্রিল হাটহাজারী মডেল থানায় তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ ও জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করার অভিযোগে একটি মামলা(নং-১০) রুজু করা হয়েছে। শ্রাবন্তী ও শুভ নাথের পিতা স্বপন কুমার নাথ বাদি হয়ে তার ভাতিজা যথাক্রমে রাজিব চন্দ্র নাথ ও সজীব চন্দ্র নাথের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদি ও বিবাদি সবাই হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চারিয়া লোকনাথ পল্লীর বাসিন্দা।

তবে এলাকায় গেলে পরিবার ও প্রতিবেশীর মাধ্যমে হামলার শিকার হতে পারে এমন আশংকায় তারা হাটহাজারীর এগার মাইলস্থ একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করে আসছিল।অপরদিকে তারা উভয়ই ইসলাম গ্রহণের অনেক পূর্বে তাদের জ্যাঠাত ভাই রাজিব ও সজীব উভয়ই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এলাকা ত্যাগ করে।আবার হিন্দু ধর্ম থেকে আপন কন্যা ও পুত্র সন্তানের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে চিন্তায় পড়েন স্বপন কুমার নাথ। একদিকে নিজ এলাকায় সামাজিক চাপ ও অপরদিকে হঠাৎ ইসলাম গ্রহণ করে ইসলাম ধর্মকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে তাদের বিপথগামী করছে কিনা এমন শংকায় প্রথমে হাটহাজারী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি রুজু করেন তিনি।
অপহরণ করার অভিযোগে মামলা রুজু করেন তিনি। এছাড়া এ বিষয়ে কালেমা পাঠ করানো মাওলানা ইদ্রিসের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট ও বিশ্বাসী হয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ, সজ্ঞানে এবং বিনা প্ররোচনায় তারা উভয়ই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।এদিকে মামলার বাদি স্বপন কুমার নাথের কাছে এ বিষয়ে জানতে ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, বিজ্ঞ আদালতে নির্দেশে এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু হয়ে গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে অপহৃত শ্রাবন্তী ও শুভ নাথকে আমরা উদ্ধার করেছি। জবানবন্দী প্রদানের জন্য তাদের আদালতে প্রেরণ করেছি।

No comments:

Post a Comment