জীবনের সব গোনাহ মাফ পেতে ফরয নামাজের পর ৪টি দোয়া পাঠ করুন - অজানা ১০১
,

ব্রেকিং

Post Top Ad

PropellerAdsPropellerAds

Tuesday, January 08, 2019

জীবনের সব গোনাহ মাফ পেতে ফরয নামাজের পর ৪টি দোয়া পাঠ করুন


জীবনের সকল গোনাহ মাফ পেতে ফরয নামাজের পর ৪টি বিশেষ দোয়া পাঠ করুন। যে ব্যক্তি ফরয নামাজগুলোর পর দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করে আমল করবেন, মহান আল্লাহ তায়ালা ওই প্রার্থনাকারীর সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। ইনশাল্লাহ্ গুনাহ মাফের এই গুরুত্বপূর্ণ দোয়াটি হচ্ছে-

আরবি উচ্চারণ: سُبْحَانَ اللهِ، اَلْحَمْدُ ِللهِ، اَللهُ أَكْبَرُ، لآ إلهَ إلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ- বাংলা উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লা-হ (৩৩ বার)। আলহাম্দুলিল্লা-হ (৩৩ বার)। আল্লাহু-আকবার (৩৩ বার)। লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহু; লাহুল মুল্কু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লে শাইয়িন ক্বাদীর (১ বার)।

অর্থ : আল্লাহ তায়ালা পূতপবিত্র। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ সবার চেয়ে বড়। নেই কোন উপাস্য একক আল্লাহ ব্যতীত; তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব ও তাঁরই জন্য যাবতীয় প্রশংসা। তিনি সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী। (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬৬, ৯৬৭, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘ছালাত পরবর্তী যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮)। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয ছালাতের পর উক্ত দোআ পাঠ করবে, তার সকল গোনাহ মাফ করা হবে। যদিও তা সাগরের ফেনা সমতুল্য হয়’। (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬৭)।

মহানবী (সাঃ) যে দুই ধরণের পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন…

ইসলাম মানব জীবনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতদের জন্য সকল দিক নিদের্শনা দিয়ে গেছেন। কিভাবে নামাজ আদায় করতে হয়, কিভাবে রোজা পালন করতে হয়, কিভাবে যাকাত দিতে হয় কিংবা কিভাবে চললে সারাজীবন সৎ পথে বা ন্যায়ের পথে থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করা যায়।

মহানবী (সা.) সকল দিক নির্দেশনার মধ্যে কি ধরণের পাত্রে খাবার খেতে হবে তারও একটা নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস এখান বর্ণনা করা হলোযে চার ধরনের শারীরিক মিলন ইসলামে নিষিদ্ধ – সকল মুসলমানদের জানা উচিৎ।

বাংলা হাদিস: হুযাইফাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনা ও রূপার পাত্রে পান বা আহার করতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন এবং চিকন ও মোটা রেশম পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। [বুখারি ৫৪২৬, ৫৬৩২, ৫৬৩৩, ৫৮৩১, ৫৮৩৭, মুসলিম ২০৬৭, তিরমিযি ১৮৭৮, নাসায়ি ৫৩০১, আবু দাউদ ৩৭২৩] আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।

অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন।
দোয়া ৩টি হলো-

১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন : লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস)জেনে নিন আপনার শিশুর টিকার তালিকা অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)

২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’ অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)

৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।প্রস্রাবের পর পোশাকের পবিত্রতা নিয়েসন্দেহ হলে যা করবেন জেনে নিন অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)


No comments:

Post a Comment