টম ক্রুজকে ভালোবেসে ক্যারিয়ার ছাড়তেও প্রস্তুত ছিলেন নিকোল - অজানা ১০১
,

ব্রেকিং

Post Top Ad

PropellerAdsPropellerAds

Sunday, August 16, 2026

টম ক্রুজকে ভালোবেসে ক্যারিয়ার ছাড়তেও প্রস্তুত ছিলেন নিকোল


<p>হলিউড তারকা টম ক্রুজকে বিয়ের সময় অনেকেই সতর্ক করেছিলেন—বড় তারকার ছায়ায় ঢাকা পড়ে শেষ হয়ে যেতে পারে অভিনয়জীবন। তবে প্রেমে অন্ধ নিকোল কিডম্যান সেসব সতর্কবার্তাকে পাত্তাই দেননি। ভোগ সাময়িকীর ব্রিটিশ সংস্করণের সেপ্টেম্বর সংখ্যার জন্য দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের ফেলে আসা জীবন ও বিয়ে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ৫৯ বছর বয়সী এই অস্কারজয়ী অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী</p><p>১৯৯০ সালে ডেজ অব থান্ডার সিনেমার সেটে টম ক্রুজের সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম হয় কিডম্যানের। ওই বছরই ক্রিসমাসের আগের দিন বিয়ে করেন তাঁরা। টম ক্রুজের সঙ্গে কাটানো এক দশকের বৈবাহিক জীবনের স্মৃতিচারণা করে কিডম্যান বলেন, ‘হুট করেই দেখলাম ২২–২৩ বছর বয়সে আমি এক মহাতারকার স্ত্রী। কিন্তু পুরো বিষয়টি তখন আমার কাছে অত্যন্ত স্বাভাবিক লেগেছিল। আমরা একে অপরের গভীর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। তখন অনেকেই বলেছিল, এটা আমার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলবে। কিন্তু আমার সাফ কথা ছিল, আমার কিচ্ছু যায় আসে না, আমি ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চাই।’</p><p>বিয়ের পর নানা মাধ্যমে তাঁকে যখন শুধুই ‘টম ক্রুজের স্ত্রী’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু হয়, তখন বন্ধুরাও পুরোনো সতর্কবার্তার কথা মনে করিয়ে দেন। কিডম্যান বলেন, ‘বন্ধুরা বলত, দেখেছ, আমরা তো আগেই বলেছিলাম! তখন আমার মনে হতো, তাতে কী? আমি যাকে ভালোবাসি তাকে কি বিয়ে করব না? ভালোবাসার জন্য ক্যারিয়ার বিসর্জন দিতে হলেও আমি রাজি ছিলাম।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-15/qprswhxx/tom_cruise_nicole_kidman.jpg" /><figcaption>টম ক্রুজ ও নিকোল কিডম্যান। রয়টার্স ফাইল ছবি </figcaption></figure><p>২০০১ সালে ক্রুজ ও কিডম্যানের বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের ধাক্কা সামলে ২০০৩ সালে দ্য আওয়ার্স সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর অস্কার জেতেন। পরে ২০০৬ সালে সংগীতশিল্পী কিথ আরবানকে বিয়ে করেন কিডম্যান। দীর্ঘ ১৯ বছর সংসার করার পর গত সেপ্টেম্বরে বিচ্ছেদের আবেদন করেন তাঁরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/irbgtf1po4">একসময়ের আবেদনময়ী তারকা, ৩ হাজার কোটি টাকার মালিক নিকোল কিডম্যানকে কতটা চেনেন</a></aside><p>দ্বিতীয় বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে কিডম্যান অকপটে জানান, অপ্রত্যাশিত এই পরিবর্তন তাঁকে চরম অনিশ্চয়তা ও ভয়ের মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিডম্যানের ভাষায়, ‘জীবনের এই বাঁকে এসে একসময় খুব আতঙ্কিত ও দুর্বল বোধ করছিলাম। তখন মনে হয়েছিল, নিজেকে গুটিয়ে না রেখে কেবল বুকভরা আশা নিয়েই আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’</p>

No comments:

Post a Comment